খুকু ভূঞ্যা
থাক বাকিটা
মৃত গাছের গোড়ায় জল দিইনি কখনো
যে বৃক্ষ শেষ সূর্যাস্ত বুকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে,
দুহাত জোড় করে প্রার্থনা করিনি, নতুন একটা বসন্তের
একটা কিছুর শেষ থেকে একটা কিছুর শুরু পর্যন্ত অন্তহীন ভাবনা চিন্তা
কে কতটা আগে থেকে ভাবতে পারে
যে আজ মুখোমুখি বসেছে,কত ফসল অন্ন চিন্তার গল্প করতে করতে দুপুর গড়ালো, কাল সে—
থাক না বাকিটা—
কালকেরটা কাল হতে দাও
আজ যেভাবে বসে আছে পরস্পর দুটো ছায়া ঘনিষ্ঠ ডালের মতো,থাক
অনেক ফুলের কথা হোক, রঙের কথা হোক
পুবদিকের নাম আশা জেনেই রোজ একটি সকাল প্রত্যাশা , রাতের কাছে—
ঘুম আসছে না
কাল পেঁচা উড়ে গেল সচিকাকার সমাধির দিকে
সপ্তমীর চাঁদ মেঘে মেঘে ধূসর
এলোমেলো কিছু বাতাস ঝরিয়ে দিচ্ছে শিরিষ ফুল,
একটা কিছুর শেষ থেকে একটা কিছুর শুরু পর্যন্ত অন্তহীন ভাবনা চিন্তা
কে কতটা আগে থেকে ভাবতে পারে
যে আজ মুখোমুখি বসেছে,কত ফসল অন্ন চিন্তার গল্প করতে করতে দুপুর গড়ালো, কাল সে—
থাক না বাকিটা—
কালকেরটা কাল হতে দাও
আজ যেভাবে বসে আছে পরস্পর দুটো ছায়া ঘনিষ্ঠ ডালের মতো,থাক
অনেক ফুলের কথা হোক, রঙের কথা হোক
পুবদিকের নাম আশা জেনেই রোজ একটি সকাল প্রত্যাশা , রাতের কাছে—
ঘুম আসছে না
কাল পেঁচা উড়ে গেল সচিকাকার সমাধির দিকে
সপ্তমীর চাঁদ মেঘে মেঘে ধূসর
এলোমেলো কিছু বাতাস ঝরিয়ে দিচ্ছে শিরিষ ফুল,
বুড়ো বাঁশপাতা
ঘুম আসছে না
মাথা নোয়া ধানের কথা ভাবতে ভাবতে
ঘুম আসছে না
মাথা নোয়া ধানের কথা ভাবতে ভাবতে
তারা হয়ে যাচ্ছে মন
দিপালী বলেছিল অন্ন সংকটের আভাষ
হাসি কেড়ে নেবার কাহিনী
তারপর হাহাকারের পাড়ে বসে কেউ লিখবে
দিপালী বলেছিল অন্ন সংকটের আভাষ
হাসি কেড়ে নেবার কাহিনী
তারপর হাহাকারের পাড়ে বসে কেউ লিখবে
সীতাহরনের গল্প
দ্রৌপদীর বস্ত্র যোগাতে যোগাতে ক্লান্ত ঈশ্বর
আমি কি ঘুমোতে পারি হে প্রিয়
তুমি যদি বিছানা প্রিয় হও,কার নাম দিই মিছিল জাগরণ
পেঁচাটা তীর বেগে উড়ে যাচ্ছে ভরাট দুপুরের দিকে—
দ্রৌপদীর বস্ত্র যোগাতে যোগাতে ক্লান্ত ঈশ্বর
আমি কি ঘুমোতে পারি হে প্রিয়
তুমি যদি বিছানা প্রিয় হও,কার নাম দিই মিছিল জাগরণ
পেঁচাটা তীর বেগে উড়ে যাচ্ছে ভরাট দুপুরের দিকে—

Comments