সুবর্ণকান্তি উত্থাসনী
পুরুষ কিংবা প্রবৃত্তি
(১)
মানবের বৈরাগ্যের স্থলে বিড়ালজন্ম প্রণয়ভুক
এমন পর্যটনে জুড়ে থাকে সভ্যের মুদ্রারাক্ষস
মোষের স্কন্ধের মতো নুয়ে পড়ে ঊষার বোধন
শরীরময় অবিকল ভল্লার কৃষ্ণকায় ক্ষত
যা কিছু প্রাচীন বলো তার ছায় উল্লঙ্ঘন রেখে
কসাইয়ের চালে বসা মোরগ হয়েছি
সমাজ এখানে তুরীয় প্রেতকাতরতা
তাড়া করে
তাড়া করে
জায়মান সভ্যতাকে আরেকটি মন্বন্তরের দিকে
কীভাবে জরায়ু প্রশস্ত হয় অপরাপর আদল মুছে
কীভাবে বীজের ভেতর থেকে জন্ম নেয় পল্লবিত
বনস্থলী বিমূর্ত ঈশ্বরের টানে
প্রেমের ভাগ্য তার আয়ুরেখা কেটে দিয়ে গেছে
হে বিসর্গ হে ঊষর
অপয়ামুখে জলটুকু দেয়নি
কোন প্রাতিষ্ঠানিক গাগরিবসুন্ধরা
কোন উদাসী আবাসন রক্তভুক গেরস্থালি
অতঃপর গহীন স্রোতের মুখে আদিগন্ত গঙ্গা
পান করেছে সে গণ্ডূষে গণ্ডূষে
অন্ধকারে শসাক্ষেতে নেমে যে কোনো মা
পথভ্রষ্টা আত্মজার জন্মক্ষত খুঁজে চলে
একখানি গ্রহ আর দুইটি অসম আকাশ
উতরোল কল্লোলিনী কি পার পেয়ে যাবে
এই পরশ্রী এই লাঞ্ছনা উত্তর ঔপনিবেশিক
যা কিছু প্রাচীন বলো তার ছায় উল্লঙ্ঘন রেখে
কসাইয়ের চালে বসা মোরগ হয়েছি
কাচের বয়ামে রাখা বস্তুত মৌ
মানুষের লালসা গূঢ় করে গ্যাছে
যুবতীর নগ্ন উরুর পানে চেয়ে চেয়ে
অবৈধ প্রেমিক
পরাগসত্ত্বা ভুলে ক্ষণকাল হিঁচড়ে হয়েছে
যে আঙুলে ঝুলে থাকে বিষহরি কমণ্ডলু
তারও ছোবল আছে রতিসুখ আছে
আমায় যে দ্যাখেছে বহুদূর থেকে
সে কী জানে পুরুষের হৃদয়ই ডাচ জলদস্যু
(২)
কান্নার অন্তর্বর্তী নিস্তব্ধতা থেকে কর্কশতায়
মানুষের কৃষ্ণশূন্যতা পর্যটনময়
এসো হৈম লগ্নীকৃত শর্করা
দোঁহে সংসার পাতি বিষণ্ন ঋতুকাল মাড়িয়ে
আদিম অনঘ হিংস্রতাপূত পরাগসিঞ্চনে
রাত্রির পারাবতশিস বয়ে আনে লক্ষ্মীর পাঁচালি
অনতিদূরে হাস্নুহেনার হিম আবেশ
হাতে নাও দলো তার অপ্রস্তুত সতীচ্ছদ
কচুগন্ধ থেকে পাঁচিল টপকে যায় বেঁটেখাটো ভাম
অপত্যতৃষামাত্রে অভিস্রবণের মতো
জন্ম দেয় অলঙ্ঘ মফস্বল
হে বিসর্গ হে ঊষরে
চেয়ে দ্যাখো কি বিপন্ন সমাপতন তার নগরীর গ্রাসে
নীড় শূন্য শস্য শূন্য সুচিত্রিত পংক্তিমালা
আমি কি তার দাঁড়িটুকু হবো না
দাঁড়ির মতো গাছের পাতা থেকে দ্বিতীয় বৃষ্টি ঝরে যায়
পুনরপি ঝরে যেতে থাকে
বাতিক ও ব্যাকুলতার দোসর হয়ে
ক্রমে তাও শেষ হলে সেই মুদ্রারাক্ষস যেন গিলে খায়
মহিষের মাথা গলে যায় লৌকিক দেবযোনি
বাতিদানের প্রেত হিংস্র শ্বাপদের মতো
সোঁদা তোরঙ্গ ভেঙে ফিরে যায়ে কৈশোরে
মুখে ধরা শিকারের সুগভীর মৃত্যুটিও
বান্ধবীদের অপ্রাপ্ত কাতুরে রমণ হয়ে ঝরে
আত্মহত্যার খোড়ল থেকে উড়ে আসে আত্মার শালিক
কালচে লাল ডালিম শাঁসের মতো
খুনির দুহাতে লিপ্সিত রঞ্জনক্ষত
জমে
জমে
সমান্তরাল দ্বীপ জেগে ওঠে
ডাকিনীর দেহভাষে ডুবে থাকে অঘোরীর ডেরা
একটি পিছলভুক চিল ধরতে পারেনা
উক্ত রক্তবোধ ভুলে অদ্যপি সভ্য হয়েছে
একটি হাওয়াকল তার উদারদস্তুর মনস্তাপে চিনে নেয়
যা কিছু প্রাচীন বলো তার ছায় উল্লঙ্ঘন রেখে
কসাইয়ের চালে বসা মোরগ হয়েছি
এসো হৈম আদিম অনঘ হৈম সন্তানের চিতায়
বৃদ্ধপিতার কালি পড়া হাত দুখানিতে ঢেকে রাখো মুখ
প্রেমের ভাগ্য তার আয়ুরেখা কেটে দিয়ে গেছে
হে বিসর্গ হে ঊষর
অপয়ামুখে জলটুকু দেয়নি
কোন প্রাতিষ্ঠানিক গাগরিবসুন্ধরা
কোন উদাসী আবাসন রক্তভুক গেরস্থালি
অতঃপর গহীন স্রোতের মুখে আদিগন্ত গঙ্গা
পান করেছে সে গণ্ডূষে গণ্ডূষে
অন্ধকারে শসাক্ষেতে নেমে যে কোনো মা
পথভ্রষ্টা আত্মজার জন্মক্ষত খুঁজে চলে
একখানি গ্রহ আর দুইটি অসম আকাশ
উতরোল কল্লোলিনী কি পার পেয়ে যাবে
এই পরশ্রী এই লাঞ্ছনা উত্তর ঔপনিবেশিক
যা কিছু প্রাচীন বলো তার ছায় উল্লঙ্ঘন রেখে
কসাইয়ের চালে বসা মোরগ হয়েছি
কাচের বয়ামে রাখা বস্তুত মৌ
মানুষের লালসা গূঢ় করে গ্যাছে
যুবতীর নগ্ন উরুর পানে চেয়ে চেয়ে
অবৈধ প্রেমিক
পরাগসত্ত্বা ভুলে ক্ষণকাল হিঁচড়ে হয়েছে
যে আঙুলে ঝুলে থাকে বিষহরি কমণ্ডলু
তারও ছোবল আছে রতিসুখ আছে
আমায় যে দ্যাখেছে বহুদূর থেকে
সে কী জানে পুরুষের হৃদয়ই ডাচ জলদস্যু
(২)
কান্নার অন্তর্বর্তী নিস্তব্ধতা থেকে কর্কশতায়
মানুষের কৃষ্ণশূন্যতা পর্যটনময়
এসো হৈম লগ্নীকৃত শর্করা
দোঁহে সংসার পাতি বিষণ্ন ঋতুকাল মাড়িয়ে
আদিম অনঘ হিংস্রতাপূত পরাগসিঞ্চনে
রাত্রির পারাবতশিস বয়ে আনে লক্ষ্মীর পাঁচালি
অনতিদূরে হাস্নুহেনার হিম আবেশ
হাতে নাও দলো তার অপ্রস্তুত সতীচ্ছদ
কচুগন্ধ থেকে পাঁচিল টপকে যায় বেঁটেখাটো ভাম
অপত্যতৃষামাত্রে অভিস্রবণের মতো
জন্ম দেয় অলঙ্ঘ মফস্বল
হে বিসর্গ হে ঊষরে
চেয়ে দ্যাখো কি বিপন্ন সমাপতন তার নগরীর গ্রাসে
নীড় শূন্য শস্য শূন্য সুচিত্রিত পংক্তিমালা
আমি কি তার দাঁড়িটুকু হবো না
দাঁড়ির মতো গাছের পাতা থেকে দ্বিতীয় বৃষ্টি ঝরে যায়
পুনরপি ঝরে যেতে থাকে
বাতিক ও ব্যাকুলতার দোসর হয়ে
ক্রমে তাও শেষ হলে সেই মুদ্রারাক্ষস যেন গিলে খায়
মহিষের মাথা গলে যায় লৌকিক দেবযোনি
বাতিদানের প্রেত হিংস্র শ্বাপদের মতো
সোঁদা তোরঙ্গ ভেঙে ফিরে যায়ে কৈশোরে
মুখে ধরা শিকারের সুগভীর মৃত্যুটিও
বান্ধবীদের অপ্রাপ্ত কাতুরে রমণ হয়ে ঝরে
আত্মহত্যার খোড়ল থেকে উড়ে আসে আত্মার শালিক
কালচে লাল ডালিম শাঁসের মতো
খুনির দুহাতে লিপ্সিত রঞ্জনক্ষত
জমে
জমে
সমান্তরাল দ্বীপ জেগে ওঠে
ডাকিনীর দেহভাষে ডুবে থাকে অঘোরীর ডেরা
একটি পিছলভুক চিল ধরতে পারেনা
উক্ত রক্তবোধ ভুলে অদ্যপি সভ্য হয়েছে
একটি হাওয়াকল তার উদারদস্তুর মনস্তাপে চিনে নেয়
যা কিছু প্রাচীন বলো তার ছায় উল্লঙ্ঘন রেখে
কসাইয়ের চালে বসা মোরগ হয়েছি
এসো হৈম আদিম অনঘ হৈম সন্তানের চিতায়
বৃদ্ধপিতার কালি পড়া হাত দুখানিতে ঢেকে রাখো মুখ

Comments